Android Version

আমরা এমন অনেক মানুষই আছি যারা টেকনোলজির ক্ষেত্রে বিশেষ করে মোবাইল ফোনের দিক দিয়ে সব সময় আপডেটেড হয়ে থাকতে পছন্দ করি। আর যদি সেই ব্যক্তিটি Android Version এর হ্যান্ডসেট ব্যাবহারকারী হন তবে তো আর কোনো কথাই নেই। আসলে আমি,আপনি বা আমরা যারা এন্ড্রোয়েড ভার্সন অপারেটিং সিস্টেমের হ্যান্ডসেট ব্যবহার করি। তারা আর যাই করি না কেন নিজের ফোনেটিকে বর্তমান সময়ের বেস্ট এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেমে আপডেটেড রাখতে কখনো কৃপণতা করি না।

কি ঠিক বললাম তো? আচ্ছা আপনার কখনো ইচ্ছা করে নি আপনি যে এন্ড্রোয়েড অপারেটিং  সিস্টেম ব্যবহার করছেন তার যে বিভিন্ন ভার্সনস গুলো ছিল সেগুলো সম্পর্কে জানতে? হ্যাঁ আমি জানি আপনার মনে এমন কৌতূহল জন্মানো না অস্বাভাবিক কিছু না। চিন্তার কোনো কারণ নেই এক্ষেত্রে আমি এসে পড়েছি আপনার মনের সেই কৌতূহল গুলো দূর করতে। তবে আর দেরি কেন ! চলুন দেখে আসি এই পর্যন্ত বাজারে আসা বেস্ট এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেমগুলো।

Android Version আপডেট কি?

আচ্ছা আমরা প্রায় সবাই তো Android Version অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে এমন হ্যান্ডসেট ব্যবহার করছি । এবং একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে এক একজনের হ্যান্ডসেটের প্রোগ্রামিং ডিসাইনগুলো আলাদা আলাদা। কখনো কি মনে প্রশ্ন জেগেছে কেন এমন পার্থক্য? হ্যাঁ আমি জানতাম এই ধরনের প্রশ্ন আপনাদের অনেকের মনে রয়েছে। আসলে এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম গুলো খুব জলদি আপডেটেড করা হয় আর আপনার ফোনটি যখন আপডেটেড থাকবে না এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেমের দিক দিয়ে তখন আপনি এই ধরণের বিড়ম্বনায় পড়তেই পারেন।

মারসমালোও ৬.০ ভার্সন

এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ললিপপ ভার্শনের পরেই এই ভার্শনটি বাজারে নিয়ে আসে এন্ড্রোয়েড কর্পোরেশন। আপনি ভাবতে পারেন কি এমন বিশেষ্যত্ব আছে এই ভার্সনটিতে? চলুন দেখে আসি কি কি ব্যাপারে এটি আগের ললিপপ ভার্সনের থেকে এগিয়ে আছে। প্রথমত,আপনি ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে সচল করতে পারবেন আপনার ফোনের স্ক্রিনটিকে । দ্বিতীয়ত, আরেকটি সুবিধা যেটি এর ব্যাবহারকারীরা পেত সেটি হলো ব্যাটারী সেভারের সুবিধা যা এর আগের ভার্শনগুলোতে ছিল না।

নোগাঠ ৭.০ ভার্সন

বিশেষ করে প্রোগ্রামিংয়ের সময় বাঁচাতে এবং গেমস স্মোথলি রান করার জন্য যে এন্ড্রোয়েড ভার্সনটি অধিক জনপ্রিয় হয়েছিল সেটি হলো নোগাঠ ৭.০। গেমিং লাভারদের জন্য এটি ছিল সেই সময়কার বেস্ট এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম। আর একটি চমৎকার বিষয় যেটি অনেকেরই অজানা হয়তো, এতে VR MODE সরাসরি যুক্ত থাকায় কোনো third party apps লাগতো না। আরেকটি বিষয় ছিল এতে বিশেষ মাধ্যমে Dozier ব্যবহার করে হ্যান্ডসেটের ব্যাটারী পারফরমেন্স বাড়ানো যেত।

ওরিও ৮.০ ভার্সন

আমরা যারা এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ব্যাবহারকারী তারা খুব ভালোভাবেই পরিচিত এই নামটির সাথে । কারণ এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেমের এক অনন্য ভার্সন ছিল এটি। জানতে চাচ্ছেন কেন অন্য সব ভার্সন থেকে এটি আধুনিক ছিল সেই সময়ে? এই মূল কারণ ছিল এর আধুনিক ফিচার্ডগুলো। কারণ এতে এমন একটি সুবিধা ছিল যা একটি মাত্র ডট এর মাধ্যমে ইউসারকে নোটিফিকেশন সম্পর্কে অবগত করতো। এছাড়াও দ্রুত কপি-পেস্ট করার সুবিধা,ছবির মধ্যে ছবি ছবিসেট করার সুবিধাসহ আরো বিশেষ কিছু সুবিধা দিতো এটির ব্যবহারকারীদের।

এন্ড্রোয়েড পি ভার্সন

কি নামটা একটু ব্যাতিক্রম লাগছে না? আসলে বলতে গেলে এন্ড্রোয়েডের ভার্সনগুলোর নাম সবসময়ই একটু ব্যাতিক্রম  হয়,তবে নতুন এই ভার্সনটিও কেনই বা বাদ যাবে বলুন ! হ্যাঁ ,ওরিও ভার্সন আসতে না আসতেই বাজারে চলে এলো এন্ড্রোয়েড পি নামক এন্ড্রোয়েডের এই নতুন ভার্সনটি। তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি যে এই ভার্শনটি শুধুমাত্র গুগলের স্মার্ট ফোনের জন্য ব্যবহার করা যাবে।এক্ষেত্রে আমার মতো যারা হতভাগ্য তাদের অপেক্ষা করা ছাড়া আর কি বাহ্ করার আছে বলুন।

এইতো ছিল এই সময় পর্যন্ত সর্বশেষ Android Version গুলো যা এখনো প্রত্যেক এন্ড্রোয়েড ব্যবহারকারীকে মাতিয়ে রেখেছে। বলা যায় না এন্ড্রোয়েড ভার্সনগুলোর  আপডেটের ধারাবাহিকতা এইভাবে অব্যাহত থাকলে আশা করি আমরা ভবিষ্যতে আরো নতুন নতুন এন্ড্রোয়েডের ভার্সন পাবো আমাদের ফোনটিতে। সতরাং বলাই যায়, গুগল তুমি দীর্ঘজীবী  হও আর আমাদের জন্য আরো আপডেটেড ভার্সনের এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে এসো ।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here