device

স্মার্টফোন ইউজার হিসেবে আমরা সবাই RAM শব্দটির সাথে বেশ ভালোভাবেই পরিচিত।  আজকাল স্মার্টফোন ইউজারদের প্রায় প্রত্যেকেই মাল্টিটাস্কিং সুবিধাযুক্ত হ্যান্ডসেট device পছন্দ করেন। জানি আপনিও সেই দলেরই একজন। সত্যি বলতে আমিও কিন্তু আপনাদের দলেই।  আসলে স্মার্টফোন যদি একটু স্পীডই না হলো তবে আর কেনই স্মার্টফোন ব্যবহার করা বলুন?

স্মার্টফোনের RAM হলো এর কার্যক্ষমতার নির্ধারক। স্মার্টফোনের অ্যাপ্লিকেশনস ধারণ ক্ষমতা, প্রসেসরের কাজের দ্রুততা এই RAM এর উপরে নির্ভরশীল। RAM সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই ধারণা সুস্পষ্ট নয়। আপনাদের সবার RAM সম্পর্কে ধারণা আরো উন্নত করতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আশা করছি আমার এই লিখাটি পড়লে আপনার এই সংক্রান্ত ধারণার উন্নয়ন ঘটবে।

RAM এবং Smartphone Device এ এটির কাজ কি?

আসলে RAM যার পুরো নামটি হচ্ছে(Random Access Memory) মূলত RAM  এর ধারণ ক্ষমতার উপরেই আপনার স্মার্টফোনটির কাজ করার ক্ষমতা নির্ভর করে। কি কনফিউশন লাগছে? তাহলে চলুন একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝানো যাক-ধরুন আপনি একটি 2GB RAM এর হ্যান্ডসেট device ব্যবহার করছেন সেখানে আপনি যতগুলো অ্যাপ্লিকেশনস ইনস্টল করে রাখতে পারবেন,4GB RAM এর হ্যান্ডসেটে তার থেকে বেশি অ্যাপ্লিকেশনস ইনস্টল করে রাখতে পারবেন।

আসলে RAM এর ধারণক্ষমতাটাই নিয়ন্ত্রণ করবে আপনি আপনার ফোনটা কতটা কার্যকরীভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। জানি আপনাদের মনে RAM সম্পর্কিত অনেক কৌতূহলী প্রশ্ন আসছে। চিন্তার কোনো ব্যাপার নেই। সেইজন্য তো আমি আছি আপনাদের RAM সম্পর্কিত সকল বিষয় জানতে আপনাদের সহযোগিতা করতে। চলুন জেনে আসা যাক RAM নিয়ে আরো হাজারো মজার তথ্যগুলো।

স্মার্টফোন এবং RAM এর সম্পর্ক

আসলে RAM হলো এমন একটি অংশ একটি স্মার্টফোনের যেটি ছাড়া স্মার্টফোন কল্পনা করা অসম্ভব। স্মার্টফোনের প্রতি ক্ষেত্রেই বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনস ব্যবহার করে যাবতীয় কাজ সম্পাদন করতে হয়। আমরা যখন কোনো অ্যাপ্লিকেশনস ফোনে ডাউনলোড করি সেটি কিন্তু ফোনের ইন্টারনাল যে ROM টি রয়েছে বা এক্সটারনাল মেমোরীকার্ডটি রয়েছে সেখানে সেভ হয়ে থাকে আর আমরা যখন সেটি ইনস্টল করি তখন সেটি RAM এর জায়গা দখল করে প্রোগ্রামে রান হতে থাকে।

RAM এবং স্মার্টফোনের গতি

আপনারা যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন তারা তো জানবেন যে ২জিবি আর ৪জিবি RAM এর কাজের গতি এক হবে না। যেমনটা আমরা জানি যে প্রসেসরের মধ্যেও যেমন স্পীডের পার্থক্য রয়েছে ঠিক তেমনি  RAM এর মধ্যেও এমন পার্থক্য রয়েছে। আপনার নরমাল কথা বলা আর টুকটাক ফেসবুকিং এর জন্য ১জিবি RAM এর স্মার্টফোন যতটা ইউসফুল হবে অবশ্যই একজন মাল্টিটাস্কিং এন্ড গেমিং লাভার ব্যাবহারকারির জন্য সেক্ষেত্রে ৪জিবি বা ৬জিবি RAM হ্যান্ডসেটের কোনো বিকল্প হবে না।

আসলে কতটুকু RAM আপনার জন্য প্রযোজ্য

আপনি কি একজন মাল্টিটাস্কিং লাভার বা স্মার্টফোনটিতে সবসময় ব্যাস্ত থাকতে পছন্দ করেন নিজের পছন্দের গেমগুলো নিয়ে বা ভালোবাসেন বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে নিজের অলস সময়টুকু পার করতে? হ্যাঁ, তাহলে আপনার হ্যান্ডসেটটি হতে হবে কম করে হলেও ২জিবি RAM সম্পন্ন।

আর যদি স্মার্টফোনটি থেকে আরো ভালো পারফরমেন্স আশা করেন তবে বাজারে পেয়ে যাবেন ৩,৪,৬,৮ জিবি RAM এর বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন যা আপনার চাহিদা পূরণ করতে সমর্থ হবে।

আর যদি শুধু কথা বলা আর ফেসবুকিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে থাকে আপনার স্মার্টফোনের ব্যাবহারটি তবে বাজারে পাবেন ২৫৬এমবি থেকে ১জিবি পর্যন্ত RAM যুক্ত হাজারো হ্যান্ডসেট ডিভাইস।

তাহলে আমরা জেনে নিলাম RAM সম্পর্কে খুঁটিনাটি অনেক তথ্য এবং আরো জানলাম বাজারে কি কি ধরণের RAM যুক্ত হ্যান্ডসেট device গুলো রয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা আরো যে বিষয়টি জানলাম কি ধরনের ব্যাবহারকারির জন্য কোন কোন ধরনের RAM উপযুক্ত হবে।  তাহলে আজ এই পর্যন্তই।ধন্যবাদ লিখাটি পড়ার জন্য। ফিরে আসবো আবার নতুন কোনো বিষয় নিয়ে নতুন ভাবে আপনাদের মাঝে। ততক্ষন পর্যন্ত ভালো থাকুন,সুস্থ থাকুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here