আইফোন ৬ এস প্লাস

আইফোনের সকল ডিভাইজগুলোর মধ্যে আইফোন ৬ এস প্লাস চাহিদা ছিল তুঙ্গে। আমরা সবাই আইফোনের ডিভাইজগুলো নিয়ে কৌতূহলী থাকি। যারা আইফোন ৬ এস প্লাস ডিভাইজটি ব্যবহার করেছেন তারা তো এর বিশেষত্ব জেনেই থাকবেন। আর তারপর যদি না জানা থাকে তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই। প্রিয়ফোন.কম এবং আমি তো আছিই আপনার মনের সকল কৌতুহল দূর করতে। আচ্ছা মূল কথাতে আসা যাক এবার। আইফোন ৬ এস প্লাস ছিল আইফোন দুনিয়ার সবচেয়ে বেস্ট সেলিং ফোন। আর কি জন্য এতটা জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছিলো ফোনটি সেই বিষয়গুলো নিয়েই আজকের আলোচনা শুরু করছি আমি।

আইফোন ৬,আইফোন ৬এস এবং আইফোন ৬ এস প্লাস যখন বিশ্ববাজারে  আনা হয় তখন অনেকের মনেই অনেক নেগেটিভ প্রশ্ন এসেছিলো। সে যাই হোক আইফোন তার ৬ এস প্লাস মডেলের সফলতা দিয়ে চমক দেখতে সক্ষম হয়েছিল। চলুন জেনে নেয়া যাক বিশেষ কি কি ছিল আইফোন ৬ এস প্লাস ফোনটিতে যা এর অন্যান্য ভার্সন থেকে একে আলাদা এবং অনন্য করেছিল।

বিগ ডিসপ্লে এবং গ্রাফিক্স

স্মার্টফোনের লার্জ ডিসপ্লে এখন কে না চায়? আইফোন ৬ প্লাসের ছিল ৫.৫ ইনচেসের একটি লার্জ ডিসপ্লে যেখানে আইফোন ৬ এস এ ব্যবহার করা হয়েছিল একটি ৪.৭ ইনচেসের ডিসপ্লে। আইফোনের ৬ এস প্লাসের ডিসপ্লেটি ছিল LED – Backlit IPS LCD Touchscreen , যা একটি একটি বড় সুবিধা ছিল ফোনটির।fhd 1080*1920 pixels (401 ppi ) রেজুলেশনের ডিসপ্লেটি দিয়েছিলো ফোনটিকে এক নতুন মাত্ৰা।

সব চেয়ে আকর্ষণীয় ছিল ফোনটির Graphics Processing Unit টি। কারণ GPU সিস্টেমটি ছিল powervr GT7600 তে তৈরী করা। যা এখনো লেটেস্ট একটি GPU বলা চলে।

RAM , ROM এবং মেমরি কার্ড স্লট

অনেকেই আইফোন পছন্দ করেন না কারণ এতে এক্সট্রা কোনো মেমরি কার্ড স্লট ব্যবহারের সুবিধা নেই বলে। কিন্তু আইফোন তার ইন্টারনাল RAM ,ROM দিয়ে সেগুলো বেশ ভালোই পুসিয়ে দেয়। হ্যাঁ বন্ধুরা, আইফোনটির আরো একটি যেটা বেশেষত্ব ছিল সেটা হলো, এতে ২ জিবি RAM ব্যবহার করা হয়েছিল। আর ROM টি ছিল ৩ ভেরিয়েন্টে ১৬/৩২/৬৪। এর জনপ্রিয়তার ক্ষেত্রে এর ROM এর ভেরিয়েন্টগুলোর তাৎপর্যটা চোখে পড়ার মতো ছিল। কারণ একজন তার প্রয়োজনমতো ROM এর ডিভাইজটি সহজেই নিয়ে নিতে পারতেন।

ক্যামেরা এবং প্রসেসর

আপনার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে এর ক্যামেরা এবং প্রসেসরটি নিয়ে। হ্যাঁ , প্রসেসর দিক থেকেও আইফোন ৬ এস প্লাস  অনেকটাই আপগ্রেটেড ছিল তার আগের যেকোনো ডিভাইজ থেকে। কারণ এতে ডুয়াল কোর ১.৮৪ জাহাজ এর একটি প্রসেসর ব্যাবহার করা হয়েছিল যা ফোনটির প্রসেসিং স্পীডটা অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছিলো। আজকাল সবাই ভালো একটি ক্যামেরা ফোনের জন্য মুখিয়ে থাকে।

আইফোন ৬ এস প্লাস বাজারে আনার পর থেকেই এর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। 5MP ফ্রন্ট ক্যামেরা ও 12MP রিয়ার ক্যামেরা সেসময় ফোনটিকে সেরা করে তুলেছিল।

বিশেষ কিছু ফীচার্স

মাল্টিমিডিয়া,সেন্সর ইত্যাদির দিক দিয়ে আইফোনটি চমক জাগানো ফোন ছিল সেই সময়ের। কি ছিল না ফোনটিতে? ছিল 3D ডিসপ্লে এবং ডিসপ্লে জুম্। স্মার্ট ফিচার্সের মধ্যে ছিল ফ্রিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ও আরো অনেককিছু।মাল্টিটাচিং ফর্মুলা ফোনটিকে মাল্টিটাচ লাভারদের মধ্যে পছন্দের একটি ডিভাইজ করে তুলেছিল। তাছাড়াও একটি স্মার্টফোনে যা যা থাকে যেমন ব্লুএটুথ,জিপিএস,এম্পি৩,এম্পি৪,জিপিআরএস,লউডস্পীকার এবং iMessage এর মতো সাধারণ বিষয়গুলোও বেশ ভালোই প্রভাব ফেলেছিলো এর জনপ্রিয়তা বাড়ানোর ক্ষেত্রে।

সর্বোপরি আইফোনের প্রতিটি ডিভাইজেই থাকে নতুন নতুন বিভিন্ন চমক। যা আইফোন লাভারদের মুগ্ধ করে প্রতিনিয়ত। কিন্তু আইফোন ৬এস প্লাসের ডিভাইজগুলো আসলেই অনেকটা মডিফাইড এবং ইউনিক ছিল ফিচার্সের দিক থেকে। আমরা জানলাম আইফোন ৬এস প্লাসের জনপ্রিয় হবার রহস্যগুলো। তো আপাদত এখানেই শেষ করছি আজকে। আসবো নতুন কোনো বিষয় জানাতে নতুন ভাবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here